1. chitrabani24@gmail.com : admin :
  2. qwsd@postcards-hawaii.com : leannetolmer375 :
  3. herokkazi6@gmail.com : mohidul :
  4. saddamuddinraj@gmail.com : Saddam Uddin Raj : Saddam Uddin Raj
  5. yusuf@ataberkestate.com : TimothyGuete :
লক্ষীপাশা আদর্শ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে ছাত্র ছাত্রীদের অভিযোগ দাখিল » Chitrabani 24 | online news paper
বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:১৬ অপরাহ্ন

লক্ষীপাশা আদর্শ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে ছাত্র ছাত্রীদের অভিযোগ দাখিল

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৭ জন পাঠক দেখেছে

মনির খান বিশেষ প্রতিনিধি। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লক্ষীপাশা আদর্শ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম মুরাদুজ্জামান ও অফিস সহায়ক জাকির হোসেনের বিরুদ্ধেঅত্র স্কুলের বিভিন্ন অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রধান শিক্ষক এসএম মুরাদুজ্জামান ও অফিস সহায়ক জাকির হোসেনের অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবছর অত্র স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পড়ুয়া ১০০/১৫০ জন ছাত্রছাত্রীর স্বাক্ষরিত অভিযোগ পত্র পোস্ট অফিসের মাধ্যমে লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা মাধ্যামিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করেছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগে সুত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালে নতুন শিক্ষা কারিকুলামের নিয়মনীতি কে তোয়াক্কা না করে প্রধান শিক্ষক স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির দোহাই দিয়ে নিজের ইচ্ছামত অত্র স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। একাধিক ছাত্রছাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, ২০২৪ সালের জানুয়ারী মাস থেকে বাধ্যতামূলক ব্যাক্তিগত (প্রাইভেট) পড়ানো হচ্ছে স্কুলের মধ্যেই। সেখানে গণিত ও ইংরেজি পড়ানো হচ্ছে মাত্র ৩০ থেকে ৪০ মিনিট।

স্কুলের মধ্যে অতিরিক্ত প্রাইভেট পড়ানোর নিয়ম না থাকা সত্তেও প্রধান শিক্ষক এসএম মুরাদুজ্জামান আমাদেরকে বাধ্য করাচ্ছেন স্কুলের মধ্যেই প্রাইভেট পড়তে এবং প্রধান শিক্ষক বলেছেন প্রাইভেট পড়লেও জন প্রতি ১ হাজার টাকা আবার না পড়লেও জন প্রতি ১ হাজার টাকা বাধ্যতামূলক দিতে হবে। এবছর সরকার থেকে এ নিয়ম চালু করেছেন বলে ও জানান। ছাত্র ছাত্রীরা আরো বলেন, স্যারের সাথে কোন বিষয়ে কথা বলতে গেলে আমাদেরকে ধমকানো সহ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।

আমরা স্কুলের পেছনের মাঠে খেলাধুলা করার সময় প্রধান শিক্ষক এস এম মুরাদুজ্জামান স্কুলের ওয়াশ রুমে ডুকলেই বিভিন্ন নেশা দ্রব্যের গন্ধ পাই যা, তার ডোপ টেস্ট করালে প্রমানিত হবে। আমরা বাধ্য হয়ে জানুয়ারী মাস পড়েছি। আমাদেরকে ১০/১২ দিন পড়ানো হয়েছে তার বিনিময়ে জন প্রতি টাকা দিতে হয়েছে ১০০০ করে।আমরা এই সৈরাচার, দুর্নিতিবাজ ও নেশাগ্রস্থ শিক্ষকের হাত থেকে মুক্তি চাই। শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ার জন্য এই শীতের সকালে ছাত্র ছাত্রীদের কে ৮টায় স্কুলে আসতে এবং স্কুল শেষ করে বাড়ি ফিরতে বিকাল ৪টায় বাধ্য করেন, এতে করে দিন দিন আমাদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা এবং পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে ।

এদিকে অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, আমরা বিভিন্ন বিদ্যালয়ে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পেরেছি অন্যান্য স্কুলে পরীক্ষার ফি বাবদ ৩০০ শত টাকা নেওয়া হয়েছে। সেখানে লক্ষীপাশা আদর্শ বিদ্যালয়ের প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে পরীক্ষার ফি বাবদ রশিদ ছাড়াই ৫০০ শত টাকা পরীক্ষার ফি নেওয়া হয়েছে। অত্র বিদ্যালয়ে বর্তমানছাত্রছাত্রী রয়েছে প্রায় ১৩০০ শত জন। পরীক্ষার ফি বাবদ ৫০০ শত করে টাকা নিয়ে মোট টাকা হয় ৬ লক্ষ ৫০ হাজার। খোঁজখবর নিয়ে আরো জানা যায়, বার্ষিক পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজে মোট খরচ হয়েছে ৪৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা। শুধু তাই নয় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কোচিং করানো বাবদ দুইশত জন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ২ হাজার করে টাকা নেওয়া হয়েছে। অথচ কোচিং করানো হয়েছে মাত্র ১৫ থেকে ২০ দিন।

এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে ছাত্র ছাত্রীরা স্কুল থেকে প্রসংশা পত্র, প্রত্যায়ন পত্রসহ যেকোনো প্রয়োজনে গেলে প্রয়োজনীয় ফি ছাড়াও অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন। প্রতি বছর ছাত্র ছাত্রীদের রেজিস্ট্রেশনের সময় সমস্ত পেপার দেওয়ার পরেও ইচ্ছাকৃতভাবে তারা নামের বানান ভুল করেন। পরবর্তীতে সেই ভুল সংশোধন করার জন্য স্কুলের প্রত্যায়ন আনতে গেলে অফিস সহকারী জাকির হোসেন বলেন আমি সংশোধন করে দিবো” বলে মোটা অংকের টাকা দাবী করেন। যার একাধিক প্রমাণ আমাদের হাতে রয়েছে। শিক্ষার্থীরা ও অভিভাবকবৃন্দ বলেন, বৃহত্তর লোহাগড়া উপজেলার মধ্যে একটি স্বনামধন্য স্কুল ছিল লক্ষীপাশা আদর্শ বিদ্যালয়, বর্তমানে সেই সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে কিছু শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য। এ ব্যাপারে ম্যানেজিং কমিটির সঠিক তদারকী না থাকায় দিন দিন বিদ্যালয়টি অধপতনের দিকে যাচ্ছে।আমরা এসকল অনিয়ম দুর্নীতির প্রতিকার চাই।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম মুরাদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং বার্ষিক পরীক্ষার ফি’ এটা ম্যানেজিং কমিটি কর্তৃক নির্ধারণ করা হয়েছে। অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বদরুল আলম টিটোর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন,যে অভিযোগ টি হয়েছে এটা মিথ্যা ও বানোয়াট। তবে ইউএনও মহোদয় বলেছেন অভিযোগ টি উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল হামিদ কে তদন্ত পূর্বক রিপোর্টটি প্রদান করতে নির্দেশ প্রদান করেছেন। এ ব্যাপারে লোহাগড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হামিদ ভূইয়ার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত একটি চিঠি ডাক যোগের মাধ্যমে আমার কাছে এসেছে,এ ব্যাপারে আমার উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে তদন্ত পূর্বক পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

© All rights reserved © 2022 | Chitrabani 24
Theme Customized By BreakingNews