1. chitrabani24@gmail.com : admin :
  2. qwsd@postcards-hawaii.com : leannetolmer375 :
  3. herokkazi6@gmail.com : mohidul :
  4. saddamuddinraj@gmail.com : Saddam Uddin Raj : Saddam Uddin Raj
  5. yusuf@ataberkestate.com : TimothyGuete :
পদ্মা বিভাগ না-ফরিদপুর নামেই বিভাগ চাই » Chitrabani 24 | online news paper
সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন

পদ্মা বিভাগ না-ফরিদপুর নামেই বিভাগ চাই

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৪ জুন, ২০২২
  • ১৩৭ জন পাঠক দেখেছে

বিশেষ প্রতিনিধিঃ খন্দকার ছদরুজ্জামান

পদ্মা বিভাগ না-ফরিদপুর নামেই বিভাগ হওয়া হওয়া উচিৎ ছিলো। কারন,- ইতিহাস ঘাটলে জানা যাবে ফরিদপুর বহু পুরোনো জেলা। এজেলার ইতিহাস ঐতিয্য আন্দোলন সংগ্রামের সূচনা ঘটেছে, এ’জেলা থেকে। সর্বপরি যে জেলার ক্ষণজন্মা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান স্বাধীনতার স্থপতি বাঙ্গালী জাতীর অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান “খোকা’র জন্মভূমি এ’ জেলা। পদ্মা বিভাগ না-ফরিদপুর নামেই বিভাগ হওয়া ছিলো সময়ের দাবি।

ফরিদপুর জেলার প্রতিষ্ঠা ১৭৮৬ সালে। মতান্তরে এ-জেলা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮১৫ সালে। ফরিদপুরের নামকরণ করা হয়েছে এখানকার প্রখ্যাত সুফি সাধক শাহ শেখ ফরিদুদ্দিনের নামানুসারে। এ জেলার পূর্বনাম ছিল ‘‘ফতেহাবাদ’’। ফরিদপুর জেলার প্রতিষ্ঠা সন ১৭৮৬ হলেও তখন এটির নাম ছিল জালালপুর এবং প্রধান কার্যালয় ছিল ঢাকা। ১৮০৭ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা জালালপুর হতে বিভক্ত হয়ে এটি ফরিদপুর জেলা নামে অভিহিত হয় এবং হেড কোয়ার্টার স্থাপন করা হয় ফরিদপুর শহরে। গোয়ালন্দ, ফরিদপুর সদর, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ এই চারটি মহকুমা সমন্বয়ে ফরিদপুর জেলা পূর্ণাঙ্গতা পায়। বর্তমানে বৃহত্তর ফরিদপুর জেলা ফরিদপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর এই পাঁচটি জেলায় রূপান্তরিত হয়েছে।

এই এলাকার প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে রয়েছে গেরদা মসজিদ (১০১৩ হিজরি), পাথরাইল মসজিদ ও দিঘী (১৪৯৩-১৫১৯ খ্রি.), সাতৈর মসজিদ (১৫১৯ খ্রি.)। এলাকার অন্য উল্লেখযোগ্য স্থাপনা হলো ফতেহাবাদ টাঁকশাল (১৫১৯-৩২ খ্রি.), মথুরাপুরের দেয়াল, জেলা জজ কোর্ট ভবন (১৮৯৯ খ্রি.), এবং ভাঙ্গা মুন্সেফ কোর্ট ভবন (১৮৮৯ খ্রি.), বসুদেব মন্দির ও জগবন্ধু আঙিনা।[৩]

তৎকালিন ফরিদপুর এর মাদারীপুর থেকে হাজি শরীয়তুল্লাহ ফরায়েজি আন্দোলন শুরু করেন। পুরো বাংলায় ছড়িয়ে পরা বিখ্যাত এই আন্দোলনের কেন্দ্রভূমি ছিল ফরিদপুর জেলা। শরীয়তুল্লাহের পুত্র দুদু মিয়ার নেতৃত্বে এখানে নীলকর-বিরোধী আন্দোলন হয়। জেলার প্রধান নীল কুঠিটি ছিলো আলফাডাঙা উপজেলার মীরগঞ্জে, যার ম্যানেজার ছিলেন এসি ডানলপ।

এ জেলার ৫২টি নীল কুঠি এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। গড়াই, মধুমতি ও চন্দনা বারাশিয়া নদীর তীরে নীল চাষ হতো। বাংলার মুসলিম জাগরণের অগ্রদূত নবাব আবদুল লতীফ নীল চাষিদের আইনি সহায়তা প্রদান করেন। ভারতের স্বাধীনতার প্রথম শহীদ, মীর নিসার আলি তিতুমীর চব্বিশ পরগনা, নদীয়া ও ফরিদপুর জেলা নিয়ে একটি স্বাধীন জনপদ গড়েন, তীব্র বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলেন।

জেলা শহর বর্তমানে কুমার নদীর তীরে অবস্থিত। ফরিদপুর পৌরসভা সৃষ্টি হয় ১৮৬৯ সালে। ২৭টি ওয়ার্ড নিয়ে জেলা শহর গঠিত। এর আয়াতন ৬৬.২৪ বর্গ কিলোমিটার।

পদ্মা বিভাগ ভাগ না-ফরিদপুর নামেই বিভাগ করুন কারন,- ইতিহাস ঘাটলে জানা যাবে ফরিদপুর বহু পুরোনো জেলা। এজেলার ইতিহাস ঐতিয্য আন্দোলন সংগ্রামের সূচনা ঘটেছে, ফরিদপুর জেলা থেকে। সর্বপরি যে জেলার ক্ষণজন্মা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান স্বাধীনতার স্থপতি বাঙ্গালী জাতীর অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান “খোকা’র জন্মভূমি জেলা। পদ্মা বিভাগ না-ফরিদপুর নামেই বিভাগ হওয়া ছিলো সময়ের দাবি।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

© All rights reserved © 2022 | Chitrabani 24
Theme Customized By BreakingNews