1. chitrabani24@gmail.com : admin :
  2. qwsd@postcards-hawaii.com : leannetolmer375 :
  3. herokkazi6@gmail.com : mohidul :
  4. saddamuddinraj@gmail.com : Saddam Uddin Raj : Saddam Uddin Raj
  5. yusuf@ataberkestate.com : TimothyGuete :
নবীগঞ্জে মেজর সি আর দত্তের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত » Chitrabani 24 | online news paper
শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ০২:০৯ অপরাহ্ন

নবীগঞ্জে মেজর সি আর দত্তের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ আগস্ট, ২০২২
  • ১৩৮ জন পাঠক দেখেছে



এ. জি জুবরান চৌধুরী, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জে মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেক্টর কমান্ডার, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মেজর জেনারেল (অব) সি আর দত্ত বীরোত্তমের ২য় মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে “এসো শুনি ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস” আলোচনা ফেডারেশনের উদ্যোগে “একজন বীর প্রয়াত মেজর সি আর দত্ত” শীর্ষক আলোচনা ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার (২৪ আগস্ট) বেলা ১২ ঘটিকায় উপজেলার দেবপাড়া বাজারে এ স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রধান করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুর্দিনের কান্ডারী, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এবং প্রবীণ বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও ত্যাগী আওয়ামী লীগ নেতা জনাব কাজী আবু সালেহ (মোহাম্মদ আকরাম)।

কাজী আবু সালেহ (মোহাম্মদ আকরাম) বলেন, “বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত মেজর সি আর দত্ত শুধু আমাদের হবিগঞ্জেরই নয় তিনি ছিলেন সমগ্র বাংলাদেশের একজন বীর সৈনিক। তাঁর বীরত্ব বাঙালি জাতি ১৯৭১ সালে রণাঙ্গনে দেখতে পেয়েছে। যিনি বঙ্গঁবন্ধুর ডাকে সারা দিয়ে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর অন্যায়, শোষণ আর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সেক্টর কমান্ডার হিসাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পরেছিলেন।
সেই প্রতিবাদী বীর মানুষটি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দেশের সংবিধান অক্ষত রাখতে প্রতিবাদ করেই গেছেন। তিনি ছিলেন একজন নির্ভীক দেশপ্রেমিক। ১৯৮৮ সালে যখন স্বৈরাচার জেনারেল এরশাদ বাহাত্তরের সংবিধান কলুসিত করেছিলেন তখন ও প্রথম প্রতিবাদ করে ছিলেন বীর উত্তম মেজর সি আর দত্ত, আর তখন ই
এই সংবিধান রক্ষার জন্য বীর উত্তম মেজর সি আর দত্ত প্রতিবাদী সংগঠন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ গঠন করেছিলেন। আমি আজ এই বীরের প্রয়ান দিবসে তাঁর প্রতি জানাই আমার গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

কাজী আবু সালেহ বলেন, বিএনপি কথায় কথায় আন্দোলনের ভয় দেখাতে চাচ্ছে, আমি তাঁদের বলতে চাই আওয়ামী লীগ আন্দোলনের ভয় পায় না কেননা আন্দোলন, সংগ্রাম আর লড়াইয়ের জন্যই আওয়ামী লীগের জন্ম হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই বহু আন্দোলন, সংগ্রাম আর মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাঙালি জাতি স্বাধীনতা অর্জন করেছে। আর আপনারা যেই আন্দোলনের কথা বলছেন তার সাথে বাংলাদেশের জনগনের কোনো সম্পর্ক নেই। আপনাদেরকে জনগন চেনে। জনগন আপনাদের ঘৃন্য রাজনীতিকে বর্জন করেছে। আওয়ামী লীগ অনেক লড়াই, সংগ্রাম যুদ্ধ করে আজকের আওয়ামী লীগে পরিনত হয়েছে। কাজেই আওয়ামী লীগকে আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ নেই। যদি আমরা মাঠে নামি, শুনে রাখুন আপনারা পালানোর মতো পথ খুজে পাবেন না। ইনশাআল্লাহ সেপ্টেম্বরে আমরা রাজপথে নামবো। খেলা তখনই হবে। খেলা হবে এবার রাজপথে। বিএনপি খুল খুজে পাবেনা, কোন পথে যাবে তারা নিজেরাই বুঝতে পারবেনা।

তিনি বলেন, সিরিজ বোমা হামলা, অরাজকতা, আগুন দিয়ে মানুষ পুরানো, গ্রেনেড হামলা চালানোই বিএনপি-জামাতের চরিত্র। এদের বাঙালি জাতি বর্জন করেছে। আগামী সংসদ নির্বাচনে ইনশাআল্লাহ এ জাতি এই সন্ত্রাসী বিএনপি-জামাত কে বর্জন করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে আবারো নির্বাচিত করবে। ইনশাআল্লাহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাই হবেন চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট ঘাতকরা জিয়াউর রহমানের সহযোগীতায়ই বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে। আর ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে খুনি জিয়াউর রহমানেরই উত্তরসূরী, তাঁর খুনি পুত্র তারেক রহমানের পরিকল্পনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। যাতে আমাদের নারী নেত্রী আইভি রহমান সহ অসংখ্য নেতা-কর্মী নিহত হন। এবং আহত হন আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষ। আর সেদিনের সেই বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলা পরিচালনায়ও বিএনপি-জামায়াতের সাথে বঙ্গবন্ধুর খুনিরাও জড়িত ছিল। স্বাধীনতা বিরোধী এই অপশক্তি এখনও বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে সক্রিয়। তাই সর্বদা এদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে এবং পুরো জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর উত্তরসূরী এই বিএনপি-জামাতকে প্রতিহত করতে হবে। এরা এখনও বাঙালি জাতির শেষ আশ্রয়স্থল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এইসকল দুষ্কৃতিকারী, দেশদ্রোহী, বেইমানদের অনেকই আমাদের আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ রুপ ধরে আওয়ামী লীগে ঘাপটি মেরে আছে। এরা হাইব্রিড, অনুপ্রবেশকারী, আগাছা। এদেরকেও শক্ত হাতে প্রতিহত করতে হবে এবং দলের দুর্দিনের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মূল্যায়নের মাধ্যমে এদের দল থেকে বেড় করে দিতে হবে।

এসময় আলোচনা ফেডারেশনটির প্রধান আলোচক আব্দুল গফফার জুবরান চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্স সংযুক্ত ছিলেন রংপুর আওয়ামী লীগ নেতা, রংপুর বিভাগীয় আওয়ামী অনলাইন লীগের শীর্ষ নেতা এবং সাংবাদিক জনাব মোঃ মশিয়ার রহমান। উপস্থিত ছিলেন উক্ত আলোচনা ফেডারেশনের সদস্য মাহিদুর রহমান রিয়াদ, মোঃ মুজিবুর রহমান, মোঃ কায়েদ মিয়া সহ আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও অন্যান্যরা।

এর আগে “এসো শুনি ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস” আলোচনা ফেডারেশনের পক্ষে মেজর জেনারেল (অবঃ) সি আর দত্তের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।

এ. জি জুবরান চৌধুরী
হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি, দৈনিক চিত্রাবাণী-২৪
যোগাযোগঃ ০১৭৫৬৭৫৮০০৪

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

© All rights reserved © 2022 | Chitrabani 24
Theme Customized By BreakingNews